অভিজ্ঞতার সারাংশ ২
গ)
কারো আশীর্বাদে বা কারো অভিশাপে তোমার আমার জীবন চলবে না। তুমি আমি যা কাজ করবো, ঠিক তারই ফল পাবো। ভালো কাজ করলে সুনাম আর খারাপ কাজ করলে দুর্নাম। এটা জানা কথাই। তাহলে বলছি কেন? ভালো ব্যবহারটাও ভালো কাজের মধ্যে পড়ে। মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করলে, বিপদের দিনে লোকবল পাওয়া যায়। খারাপ ব্যবহার খারাপ কাজের মধ্যেই পড়ে। খারাপ ব্যবহার করলে মানুষ তাকে এড়িয়ে চলে, ফলে বিপদের সময় তাকে একা বাঁচতে শিখতে হয়।
অহংকার খারাপ ব্যবহারের হেতু। অহংকার পতন ডেকে আনে। যার অহংকার নেই, তার পতন নেই। নিতান্ত বোকা লোকেই অহংকার করে মানুষের থেকে দূরে সরে যায়। বুদ্ধিমান লোক নিজেকে ভুলে মানুষের মধ্যে মিশে গিয়ে, সকলের ভালবাসার পাত্র হয়। কারো আশীর্বাদে বা অভিশাপে কারো জীবন না চললেও, সকলের জীবনের সুসময় অসময় নির্ধারিত হয়।
ঘ)
সততা, সুখ ও সন্তুষ্টি কেবল নিজের কাছে, অন্য কারো কাছে তা বাঁধা থাকে না।
বহু মানুষ পরের কাছে সৎ কিন্তু সেই সততার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভীষণ রূপ। প্রয়োজনে সৎ মানুষকে ল্যাং মেরে সে ওপরে উঠে যায়। কিন্তু এদের জীবনে সুখ সামান্য কটা দিনের জন্য আসে, ফলে সন্তুষ্টিতে সদা অমাবস্যা। অল্প সময়ের জন্য সুখ পেতে মানুষ কি না করে! যে নিজের কাছে সৎ, সে শুধু বোঝে সুখের মর্ম। নিজের কাছে সৎ থাকলে মনে শান্তি আসে, ওটাই যে সন্তুষ্টি। যে সুখে সন্তুষ্টি, তথা শান্তি নেই, সেই সুখ অসতের অসুখ।
তাই সদা নিজের কাছে সৎ থাকো, এতে বড়লোক না হতে পারলেও বড় মানুষ হওয়া যায়- যে মানুষ হওয়ায় আছে পরম শান্তি। সুখ ও সন্তুষ্টি নিয়ে বেঁচে থাকাটাই জীবনে বড় পাওয়া জানবে।
ঙ)
সবাই নিজের কাজে বড়। কোনো কাজই ছোট নয়। সব কাজের মূল্য আছে। বিজ্ঞানী, অধ্যাপক, ডাক্তার, ইনঞ্জিনিয়ার যেমন বড়, তেমনই কৃষক ও সৈনিকও বড়। কৃষক না থাকলে আমাদের দু বেলা দু মুঠো ভাত জুটতো না আর সৈনিক না থাকলে স্বয়ং ভগবানও আমাদের শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করতে পারতেন না। লেখক ও শিল্পী সমাজকে পথ দেখায়। ব্যবসা না হলে দেশে অর্থনীতি তৈরী হবে কি করে?
যারা দিন আনে দিন খায়, তারাও নানা ভাবে শিক্ষিত মানুষদের সাহায্য করে থাকে। চালক ঠিক সময়ে আমাদের গন্তব্যে নিয়ে যায়, দোকানদারের কাছে আমরা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাই, কাজের মেয়ে এক দিন কাজে না এলে সংসার অথৈ জলে ইত্যাদি ইত্যাদি।
যে যার যোগ্যতায় করে খায়। যে যার টাকায় খায়। তুলনা করে কি লাভ! ওটা শয়তানের কাজ। জানবেন ছোট হোক বা বড়, যে যার জায়গায় সঠিক- আমরা সবাই মানুষ আমাদেরই মানুষের বিশ্বে।
সমাপ্ত
কারো আশীর্বাদে বা কারো অভিশাপে তোমার আমার জীবন চলবে না। তুমি আমি যা কাজ করবো, ঠিক তারই ফল পাবো। ভালো কাজ করলে সুনাম আর খারাপ কাজ করলে দুর্নাম। এটা জানা কথাই। তাহলে বলছি কেন? ভালো ব্যবহারটাও ভালো কাজের মধ্যে পড়ে। মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করলে, বিপদের দিনে লোকবল পাওয়া যায়। খারাপ ব্যবহার খারাপ কাজের মধ্যেই পড়ে। খারাপ ব্যবহার করলে মানুষ তাকে এড়িয়ে চলে, ফলে বিপদের সময় তাকে একা বাঁচতে শিখতে হয়।
অহংকার খারাপ ব্যবহারের হেতু। অহংকার পতন ডেকে আনে। যার অহংকার নেই, তার পতন নেই। নিতান্ত বোকা লোকেই অহংকার করে মানুষের থেকে দূরে সরে যায়। বুদ্ধিমান লোক নিজেকে ভুলে মানুষের মধ্যে মিশে গিয়ে, সকলের ভালবাসার পাত্র হয়। কারো আশীর্বাদে বা অভিশাপে কারো জীবন না চললেও, সকলের জীবনের সুসময় অসময় নির্ধারিত হয়।
ঘ)
সততা, সুখ ও সন্তুষ্টি কেবল নিজের কাছে, অন্য কারো কাছে তা বাঁধা থাকে না।
বহু মানুষ পরের কাছে সৎ কিন্তু সেই সততার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভীষণ রূপ। প্রয়োজনে সৎ মানুষকে ল্যাং মেরে সে ওপরে উঠে যায়। কিন্তু এদের জীবনে সুখ সামান্য কটা দিনের জন্য আসে, ফলে সন্তুষ্টিতে সদা অমাবস্যা। অল্প সময়ের জন্য সুখ পেতে মানুষ কি না করে! যে নিজের কাছে সৎ, সে শুধু বোঝে সুখের মর্ম। নিজের কাছে সৎ থাকলে মনে শান্তি আসে, ওটাই যে সন্তুষ্টি। যে সুখে সন্তুষ্টি, তথা শান্তি নেই, সেই সুখ অসতের অসুখ।
তাই সদা নিজের কাছে সৎ থাকো, এতে বড়লোক না হতে পারলেও বড় মানুষ হওয়া যায়- যে মানুষ হওয়ায় আছে পরম শান্তি। সুখ ও সন্তুষ্টি নিয়ে বেঁচে থাকাটাই জীবনে বড় পাওয়া জানবে।
ঙ)
সবাই নিজের কাজে বড়। কোনো কাজই ছোট নয়। সব কাজের মূল্য আছে। বিজ্ঞানী, অধ্যাপক, ডাক্তার, ইনঞ্জিনিয়ার যেমন বড়, তেমনই কৃষক ও সৈনিকও বড়। কৃষক না থাকলে আমাদের দু বেলা দু মুঠো ভাত জুটতো না আর সৈনিক না থাকলে স্বয়ং ভগবানও আমাদের শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করতে পারতেন না। লেখক ও শিল্পী সমাজকে পথ দেখায়। ব্যবসা না হলে দেশে অর্থনীতি তৈরী হবে কি করে?
যারা দিন আনে দিন খায়, তারাও নানা ভাবে শিক্ষিত মানুষদের সাহায্য করে থাকে। চালক ঠিক সময়ে আমাদের গন্তব্যে নিয়ে যায়, দোকানদারের কাছে আমরা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাই, কাজের মেয়ে এক দিন কাজে না এলে সংসার অথৈ জলে ইত্যাদি ইত্যাদি।
যে যার যোগ্যতায় করে খায়। যে যার টাকায় খায়। তুলনা করে কি লাভ! ওটা শয়তানের কাজ। জানবেন ছোট হোক বা বড়, যে যার জায়গায় সঠিক- আমরা সবাই মানুষ আমাদেরই মানুষের বিশ্বে।
সমাপ্ত
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
ইকরামুল শামীম ০২/০৪/২০২৫অসাধারণ