আমাদের বাংলাদেশ
জঙ্গীবাদ এবং উত্তরন
যে কোন আদর্শের নামেই হোক- সমাজে দাঙ্গাহাঙ্গামা করাই জঙ্গীবাদ। বর্তমান সময়ে জঙ্গীবাদি দল চিহ্নত করার সহজ উপায় হচ্ছে অস্ত্রবাজী, বোমাবাজী। নিজের গ্রীহিত আদর্শ মানুষকে জোরজবরদস্তিমূলকভাবে মানতে বাধ্য করতে চাওয়ার প্রচেষ্টাই জঙ্গী মনোভাব যা সমাজে দাঙ্গাহাঙ্গামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্র্রকাশিত হলে তাকে আমরা জঙ্গীবাদি হিসেবে চিহ্নত করতে পারি।ক্রোধ বা রাগ এর মৌলিক স্তর যা প্রত্যেক মানুষেরই মৌলিক বৈশিষ্ট। কিন্তু এটি যদি এমন অনিয়ন্ত্রিত ভাবে প্রকাশ পায় যাতে প্রতিহংসাবশত সমাজে দাঙ্গাহাঙ্গামা ঘটায় তখন দর্শক এটিকে জঙ্গীবাদ হিসেবে চহ্নিত করেন। জঙ্গীবাদের ফলে যা ঘটে তা হচ্ছে বিচার বহির্ভুত হত্যা এবং সমাজে নিরাপত্তাহীনতার আতঙ্ক।দাঙ্গাহাঙ্গামা এবং জিহাদের পার্থক্য না বুঝে কেউ ইসলামের নামে জঙ্গীবাদি কার্যক্রম চালায় আবার কেউ অনিয়ন্ত্রীত গনতন্ত্রের নামে জঙ্গীবাদি কার্যক্রম চালায়। জঙ্গীবাদের জন্য শ্বাসন ব্যাবস্থা কোন শর্ত নয়। শ্বাসন ব্যাবস্থায় থাকা অবস্থায় এবং না থাকা অবস্থায় উভয় অবস্থাতেই যে কোন দল জঙ্গীবাদি হতে পারে যদি তা দাঙ্গা হাঙ্গামা ও বিচার বহির্ভুত হত্যার (যেখানে বিচার ব্যবস্থা বিদ্যমান এবং প্রত্যক্ষ যুদ্ধ চলছেনা) শর্ত পূরন করতে থাকে। জঙ্গীবাদের দুটি ভয়াবহ রূপের একটি হচ্ছে আসমানি গ্রন্থের নামে দাঙ্গা হাঙ্গামা(এতে মানুষ প্রকৃত সত্য থেকে দূরে সরে যাবে অথচ তাতে দাঙ্গা হাঙ্গামাকে হত্যা অপেক্ষা মারাত্বক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে) আর একটি হচ্ছে শিক্ষাঙ্গনে দাঙ্গাহাঙ্গামা(একটি জনগোষ্ঠি অন্য একটি জনগোষ্ঠিকে মূলত এ কারনেই অনুসরন করে যে সে শিক্ষাদিক্ষার মাধ্যমে চিন্তায় অগ্রগন্য। একটা জনগোষ্ঠিকে পদানত রাখতে শিক্ষাঙ্গনকে দাহাঙ্গামার অঙ্গনে পরিনত করে রাখাই যথেষ্ঠ)। ধর্মিয় জঙ্গীবাদের ব্যাপারে গণসচেতনা সৃষ্টি এবং তা দমনে ব্যবস্থা নেয়া হলেও গণতান্তিক জঙ্গীবাদ কে লালন করা হচ্ছে। আমাদের শক্তিশালি রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেরাই জঙ্গীবাদি কিন্তু এটা তারা অনুভব করতে পারেনা।তারা বলে, তারা কেবল শান্তিই স্থাপনকারি অথচ স্বাধীতার পর থেকে এখন পর্যন্ত তারাই এদেশে সবোর্চ্চ দাঙ্গাহাঙ্গামাকারি। এইসব জঙ্গীবাদি দলগুলো থেকে যরা বিচ্ছন্ন থাকবে তারা অন্তত নির্যাতীত মানুষের অভিশাপ থেকে কিছুটা মুক্তি পাবে আর যদি ন্যায় সাক্ষদানকারিও হয় তবে আরও কিছুটা মুক্তি তার সাথে যদি বিপদগ্রস্থ মানুষের সাহায্যকারি হয় তবে আরও,তার সাথে সালাত কায়েমকারি হলে আরও......
যে কোন আদর্শের নামেই হোক- সমাজে দাঙ্গাহাঙ্গামা করাই জঙ্গীবাদ। বর্তমান সময়ে জঙ্গীবাদি দল চিহ্নত করার সহজ উপায় হচ্ছে অস্ত্রবাজী, বোমাবাজী। নিজের গ্রীহিত আদর্শ মানুষকে জোরজবরদস্তিমূলকভাবে মানতে বাধ্য করতে চাওয়ার প্রচেষ্টাই জঙ্গী মনোভাব যা সমাজে দাঙ্গাহাঙ্গামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্র্রকাশিত হলে তাকে আমরা জঙ্গীবাদি হিসেবে চিহ্নত করতে পারি।ক্রোধ বা রাগ এর মৌলিক স্তর যা প্রত্যেক মানুষেরই মৌলিক বৈশিষ্ট। কিন্তু এটি যদি এমন অনিয়ন্ত্রিত ভাবে প্রকাশ পায় যাতে প্রতিহংসাবশত সমাজে দাঙ্গাহাঙ্গামা ঘটায় তখন দর্শক এটিকে জঙ্গীবাদ হিসেবে চহ্নিত করেন। জঙ্গীবাদের ফলে যা ঘটে তা হচ্ছে বিচার বহির্ভুত হত্যা এবং সমাজে নিরাপত্তাহীনতার আতঙ্ক।দাঙ্গাহাঙ্গামা এবং জিহাদের পার্থক্য না বুঝে কেউ ইসলামের নামে জঙ্গীবাদি কার্যক্রম চালায় আবার কেউ অনিয়ন্ত্রীত গনতন্ত্রের নামে জঙ্গীবাদি কার্যক্রম চালায়। জঙ্গীবাদের জন্য শ্বাসন ব্যাবস্থা কোন শর্ত নয়। শ্বাসন ব্যাবস্থায় থাকা অবস্থায় এবং না থাকা অবস্থায় উভয় অবস্থাতেই যে কোন দল জঙ্গীবাদি হতে পারে যদি তা দাঙ্গা হাঙ্গামা ও বিচার বহির্ভুত হত্যার (যেখানে বিচার ব্যবস্থা বিদ্যমান এবং প্রত্যক্ষ যুদ্ধ চলছেনা) শর্ত পূরন করতে থাকে। জঙ্গীবাদের দুটি ভয়াবহ রূপের একটি হচ্ছে আসমানি গ্রন্থের নামে দাঙ্গা হাঙ্গামা(এতে মানুষ প্রকৃত সত্য থেকে দূরে সরে যাবে অথচ তাতে দাঙ্গা হাঙ্গামাকে হত্যা অপেক্ষা মারাত্বক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে) আর একটি হচ্ছে শিক্ষাঙ্গনে দাঙ্গাহাঙ্গামা(একটি জনগোষ্ঠি অন্য একটি জনগোষ্ঠিকে মূলত এ কারনেই অনুসরন করে যে সে শিক্ষাদিক্ষার মাধ্যমে চিন্তায় অগ্রগন্য। একটা জনগোষ্ঠিকে পদানত রাখতে শিক্ষাঙ্গনকে দাহাঙ্গামার অঙ্গনে পরিনত করে রাখাই যথেষ্ঠ)। ধর্মিয় জঙ্গীবাদের ব্যাপারে গণসচেতনা সৃষ্টি এবং তা দমনে ব্যবস্থা নেয়া হলেও গণতান্তিক জঙ্গীবাদ কে লালন করা হচ্ছে। আমাদের শক্তিশালি রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেরাই জঙ্গীবাদি কিন্তু এটা তারা অনুভব করতে পারেনা।তারা বলে, তারা কেবল শান্তিই স্থাপনকারি অথচ স্বাধীতার পর থেকে এখন পর্যন্ত তারাই এদেশে সবোর্চ্চ দাঙ্গাহাঙ্গামাকারি। এইসব জঙ্গীবাদি দলগুলো থেকে যরা বিচ্ছন্ন থাকবে তারা অন্তত নির্যাতীত মানুষের অভিশাপ থেকে কিছুটা মুক্তি পাবে আর যদি ন্যায় সাক্ষদানকারিও হয় তবে আরও কিছুটা মুক্তি তার সাথে যদি বিপদগ্রস্থ মানুষের সাহায্যকারি হয় তবে আরও,তার সাথে সালাত কায়েমকারি হলে আরও......
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।