যদি এমন হতো
প্রসঙ্গ : দেশের বিভিন্ন স্থাপনা উদ্বোধন ও সরকারি দলের আত্মপ্রচার
আমাদের দেশে বড় বড় স্থাপনা, ব্রিজ, ফ্লাইওভার ইত্যাদি সব সময় ক্ষমতাসীন দলের প্রধান উদ্বোধন করে থাকেন। দেশের সব প্রচার মাধ্যম তা ঘটা করে প্রচার করে থাকে। প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াসহ যত্ত প্রচার মাধ্যম আছে তা প্রচারে পঞ্চমুখ হয়ে ওঠে। শুধু মিডিয়াই শেষ নয় বরং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদ্দ্যোগে চাররঙ্গা পুস্তক প্রকাশ করে নিজেদের জাহির করাটা বাদ দেয় না। যিনি উদ্বোধন করেন, তিনি এমন একটা ভাব করেন যেন, এই ওভারব্রিজটা ঢাকায় হবার কথা ছিল না বা বাংলাদেশে হবার কথা ছিল না। অথবা এটা করতে বাংলাদেশে টাকার কোন খাত ছিল না, ঋণ করার ব্যবস্থা ছিল না। সম্পূর্ণ টাকা নিজের পকেট থেকে দিয়ে বা পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে জনস্বার্থে এই ওভারব্রিজটি করে দিয়েছেন। দেখুন আমি কত্ত মহান নেতা, সুতরাং আমাকে ভোট দিলে আমার বেতনের টাকা জমিয়ে আবারো এমন সব নির্মাণ কাজ করে দিব।
উক্ত সরকার প্রধান জনগণকে বুঝাতে চান যে আমরা ক্ষমতায় থাকায় এই কাজটা করতে পেরেছি। অমুক-তমুকরা ক্ষমতায় থাকলে এটা করতে পারত না। কারণ তার এত পৈতৃক সম্পত্তি নাই। তারা চুরি করত, আমরা চুরি করি নাই। আমরা ভালো লোক। তাদের এমন আচরণ দেখে আমরা খানিকটা লজ্জ্বাবোধ করি। কারণ আমাদের লজ্জ্বাবোধ আছে। কিন্তু যারা করছে তারা লজ্জ্বাবোধ করে না। বরং আত্মঅহংকারে লিপ্ত রয়েছেন।
একটা দাগ টেনে এটাকে আমি কিভাবে বড় বলতে পারি? তবে হ্যা পাশে যদি আরেকটা এরচে বড় দাগ টানা হয়ে যায় তবেই কেবল তুলনা করা চলে। আমার ভাবা বড় দাগটা তখন অবশ্যই ছোট হয়ে যাবে। অথচ ভাবতে অবাক লাগে আজ তারা যা উদ্বোধন করে আত্মঅহংকারে ফেটে পড়ছেন আর একটা সিকি পয়সাও নিজের পকেটের না। জনগণের টাকায় গাড়ি, বাড়ি, এসির শীতল হাওয়া, শাহী খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে তা খুবই সীমিত সময়ের জন্য।
নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হবার পর অসম্মান করে (সম্মানের বিপরীত) টেনে হেচড়ে গদি থেকে নামানো হয়। ভালভাল খাওয়াদাওয়া বমিও করতে হয়। ঘৃণা করি এমন জীবনকে। তাই দুনিয়ায় এসব নকল সম্মান চাই না। স্থায়ী সম্মান চাই। মানুষের হক নষ্ট করতে দুনিয়ায় আসিনি। আল্লাহর সামনে আমাকে দাঁড়াতেই হবে এই বিশ্বাস করি। আজ ক্ষমতায় থেকে, এসব উদ্বোধন করে যারা অহংকার করে বেড়াচ্ছে এ অহংকার তার নিজের নয় বরং তা জনগণের। এটা তার দায়িত্ব ছিল। প্রতিটি দায়িত্ব পালনে ত্রুটি থাকে। সরকার প্রধানেরও ত্রুুটি থাকা স্বাভাবিক। নিজেদের ত্রুটির কথা একবারও বলে না।
আসুন সরকার প্রধান উদ্বোধন কালে যদি এমনভাবে বলত তাহলে কেমন হতো চিন্তা করি।
প্রিয় দেশবাসী, আজ ঢাকার যে অমুন উড়াল সেতুটি আমি উদ্বোধন করছি তা আপনাদের টাকায় নির্মিত। আপনারা যে ট্যাক্স দেন তা থেকে ব্যয় করা হয়েছে। বিদেশী ঋণও করতে হয়েছে। আমরা দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র। এই দায়িত্বটা দেশের বিরোধীদল পেলে তারা আরো ভাল করতে পারত বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই উদ্বোধনী নামফলকে আমার নাম লেখা হলো না। দায়িত্ব পালনে ভুল হতে পারে। আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
আমাদের দেশে বড় বড় স্থাপনা, ব্রিজ, ফ্লাইওভার ইত্যাদি সব সময় ক্ষমতাসীন দলের প্রধান উদ্বোধন করে থাকেন। দেশের সব প্রচার মাধ্যম তা ঘটা করে প্রচার করে থাকে। প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াসহ যত্ত প্রচার মাধ্যম আছে তা প্রচারে পঞ্চমুখ হয়ে ওঠে। শুধু মিডিয়াই শেষ নয় বরং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদ্দ্যোগে চাররঙ্গা পুস্তক প্রকাশ করে নিজেদের জাহির করাটা বাদ দেয় না। যিনি উদ্বোধন করেন, তিনি এমন একটা ভাব করেন যেন, এই ওভারব্রিজটা ঢাকায় হবার কথা ছিল না বা বাংলাদেশে হবার কথা ছিল না। অথবা এটা করতে বাংলাদেশে টাকার কোন খাত ছিল না, ঋণ করার ব্যবস্থা ছিল না। সম্পূর্ণ টাকা নিজের পকেট থেকে দিয়ে বা পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে জনস্বার্থে এই ওভারব্রিজটি করে দিয়েছেন। দেখুন আমি কত্ত মহান নেতা, সুতরাং আমাকে ভোট দিলে আমার বেতনের টাকা জমিয়ে আবারো এমন সব নির্মাণ কাজ করে দিব।
উক্ত সরকার প্রধান জনগণকে বুঝাতে চান যে আমরা ক্ষমতায় থাকায় এই কাজটা করতে পেরেছি। অমুক-তমুকরা ক্ষমতায় থাকলে এটা করতে পারত না। কারণ তার এত পৈতৃক সম্পত্তি নাই। তারা চুরি করত, আমরা চুরি করি নাই। আমরা ভালো লোক। তাদের এমন আচরণ দেখে আমরা খানিকটা লজ্জ্বাবোধ করি। কারণ আমাদের লজ্জ্বাবোধ আছে। কিন্তু যারা করছে তারা লজ্জ্বাবোধ করে না। বরং আত্মঅহংকারে লিপ্ত রয়েছেন।
একটা দাগ টেনে এটাকে আমি কিভাবে বড় বলতে পারি? তবে হ্যা পাশে যদি আরেকটা এরচে বড় দাগ টানা হয়ে যায় তবেই কেবল তুলনা করা চলে। আমার ভাবা বড় দাগটা তখন অবশ্যই ছোট হয়ে যাবে। অথচ ভাবতে অবাক লাগে আজ তারা যা উদ্বোধন করে আত্মঅহংকারে ফেটে পড়ছেন আর একটা সিকি পয়সাও নিজের পকেটের না। জনগণের টাকায় গাড়ি, বাড়ি, এসির শীতল হাওয়া, শাহী খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে তা খুবই সীমিত সময়ের জন্য।
নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হবার পর অসম্মান করে (সম্মানের বিপরীত) টেনে হেচড়ে গদি থেকে নামানো হয়। ভালভাল খাওয়াদাওয়া বমিও করতে হয়। ঘৃণা করি এমন জীবনকে। তাই দুনিয়ায় এসব নকল সম্মান চাই না। স্থায়ী সম্মান চাই। মানুষের হক নষ্ট করতে দুনিয়ায় আসিনি। আল্লাহর সামনে আমাকে দাঁড়াতেই হবে এই বিশ্বাস করি। আজ ক্ষমতায় থেকে, এসব উদ্বোধন করে যারা অহংকার করে বেড়াচ্ছে এ অহংকার তার নিজের নয় বরং তা জনগণের। এটা তার দায়িত্ব ছিল। প্রতিটি দায়িত্ব পালনে ত্রুটি থাকে। সরকার প্রধানেরও ত্রুুটি থাকা স্বাভাবিক। নিজেদের ত্রুটির কথা একবারও বলে না।
আসুন সরকার প্রধান উদ্বোধন কালে যদি এমনভাবে বলত তাহলে কেমন হতো চিন্তা করি।
প্রিয় দেশবাসী, আজ ঢাকার যে অমুন উড়াল সেতুটি আমি উদ্বোধন করছি তা আপনাদের টাকায় নির্মিত। আপনারা যে ট্যাক্স দেন তা থেকে ব্যয় করা হয়েছে। বিদেশী ঋণও করতে হয়েছে। আমরা দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র। এই দায়িত্বটা দেশের বিরোধীদল পেলে তারা আরো ভাল করতে পারত বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই উদ্বোধনী নামফলকে আমার নাম লেখা হলো না। দায়িত্ব পালনে ভুল হতে পারে। আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
সাখাওয়াতুল আলম চৌধুরী. ১৭/১০/২০১৩আপনার সামগ্রিক লেখাটি পড়ে খুবই ভালো লাগলো।যদিও প্রথমে ভেবেছি আপনি হয়তো এই সরকার বিরোধী।কিন্তু আপনি তা নন।আপনি সত্য কথাই তুলে ধরেছেন।তবে এই সরকার এই সব করেছে বলেই আপনি এই লেখাটি লিখতে পারলেন।আমি এটাই বুঝাতে চেয়েছি যে সবার সব কিছু করার মন মানসিকতা নেই।ধন্যবাদ।