ব্যবহার করুন স্টর্মওয়াচ বাঁচান পৃথিবী
আপনি যদি আপনার এই সবুজ রং এর পৃথিবীটাকে বাঁচাতে দিনের কিছুটা সময় ব্যায় করতে আগ্রহী হন, তবে আপনার সময়টুকু কাজে লাগানোর সুযোগ আপনাকে দিচ্ছে “গ্রীনিচ মানমন্দির”।
বিজ্ঞানীরা গবেষনার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন যে, সূর্যে মাঝে মাঝেই এমন ধরনের বিষ্ফোরণ ঘটে, যার ফলে সূর্য থেকে বিপুল পরিমান তেজস্ক্রিয় পদার্থ শূন্যে নিক্ষিপ্ত হয়। বিষ্ফোরণের মাধ্যমে শূন্যে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় “সৌরঝড়”। এ ধরনের বিস্ফোরণে প্রতিবার কয়েক বিলিয়ন টন তেজস্ক্রিয় পদার্থ শূন্যে নিক্ষিপ্ত হয়। এই সৌরঝড়ের কারণে নিক্ষিপ্ত এই তেজস্ক্রিয়তা যদি পৃথিবীর আবহাওয়ায় প্রবেশ করে, তবে তা খুবই বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করবে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। এই তেজস্ক্রিয়তা একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের টেলিকম সিস্টেমকে ধ্বংস করে ফেলতে পারে। এমনকি তা প্রাণী জগতেও বিপর্যয় ঘটাতে সক্ষম। সূর্য থেকে নির্গত এই অতিরিক্ত তেজস্ক্রিয়তা মানবদেহে কি ধরনের প্রভাব রাখবে তা নিয়ে জীব-বিজ্ঞানীরা উদ্বিগ্ন। অতিরিক্ত এই বিকিরণ ক্যান্সার নামক মরণ ব্যাধিকে মহামারী আকারে ছড়িয়ে দিতে পারে বলে রয়েল সোসাইটির কয়েকজন জীববিজ্ঞানী আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এই সৌরঝড় কখন সংগঠিত হয়, এবং এর প্রতিকার কি, এ ব্যাপারে বিপুল গবেষনা সত্ত্বেও বিজ্ঞানীরা এখনও নিশ্চিত হতে পারেন নি। সৌরঝড়ের পূর্বাভাস করার মত তথ্য পাওয়ার জন্য যতটা নিখুঁত পর্যবেক্ষণ দরকার ততটা নিখুঁত পর্যবেক্ষণ বিজ্ঞানীরা করতে পারছেন না।
সম্প্রতি, সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষনের সুবিধার্থে নাসা দুটি ক্ৃিত্রম উপগ্রহ ব্যবহার করে সৌরঝড় সম্পর্কে নতুন তথ্যাবলী সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। এই কৃত্রিম উপগ্রহগুলোকে বলা হয় “স্টেরিও”।
“সোলার স্টর্মওয়াচ” ওয়েবসাইটটি ব্যবহারের মাধ্যমে এই তথ্য সংগ্রহের ব্যাপারে সাহায্য করতে পারেন আপনিও। এই ওয়েবসাইটটি গ্রীনিচ মানমন্দির, রাদারফোর্ড এ্যাপলটন ল্যাবরেটরী এবং সিটিজেন সাইন্স সাইট জিওনিভার্স, এই তিন প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রয়াসের ফসল।
উপযুক্ত যন্ত্রপাতি ও টেলিস্কোপ দ্বারা সূর্যে ঘটমান প্রতিটি ঘটনা আপনি দেখতে পারবেন ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে। ওয়েবসাইটটিতে আপনি পাবেন নাসার ব্যবহৃত “স্টেরিও” নামের কৃত্রিম উপগ্রহগুলোর পাঠানো সূর্যের সরাসরি ত্রিমাত্রিক প্রতিচ্ছবি সহ আরও অনেক তথ্যাবলী। যদি কোনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর কাছে স্টর্মওয়াচ ওয়েবসাইটটি ব্যবহারের মাধ্যমে সৌরঝড় শুরু হওয়ার কোন সম্ভাবনা পরিলক্ষিত হয়, তবে তিনি স্টর্মওয়াচ ওয়েবসাইটটির মাধ্যমেই ব্যপারটি বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিগোচর করতে পারবেন।
গ্রীনিচ মানমন্দিরের পক্ষ থেকে এ ধরনের পর্যবেক্ষন প্রক্রিয়ার উদ্যোগ এই প্রথম।
স্টর্মওয়াচ ওয়েবসাইটটি যাতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কোন সময় নষ্ট না করে এই জন্য এতে কোন বিনোদনমূলক অংশ রাখা হয়নি। সুতরাং আপনি যদি এ সাইটটি ব্যবহার করেন, তবে তা করবেন পৃথিবী নামের এই প্রায় গোলাকার পিন্ডটির জন্য নিখাদ ভালোবাসা থেকে।
বিজ্ঞানীরা গবেষনার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন যে, সূর্যে মাঝে মাঝেই এমন ধরনের বিষ্ফোরণ ঘটে, যার ফলে সূর্য থেকে বিপুল পরিমান তেজস্ক্রিয় পদার্থ শূন্যে নিক্ষিপ্ত হয়। বিষ্ফোরণের মাধ্যমে শূন্যে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় “সৌরঝড়”। এ ধরনের বিস্ফোরণে প্রতিবার কয়েক বিলিয়ন টন তেজস্ক্রিয় পদার্থ শূন্যে নিক্ষিপ্ত হয়। এই সৌরঝড়ের কারণে নিক্ষিপ্ত এই তেজস্ক্রিয়তা যদি পৃথিবীর আবহাওয়ায় প্রবেশ করে, তবে তা খুবই বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করবে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। এই তেজস্ক্রিয়তা একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের টেলিকম সিস্টেমকে ধ্বংস করে ফেলতে পারে। এমনকি তা প্রাণী জগতেও বিপর্যয় ঘটাতে সক্ষম। সূর্য থেকে নির্গত এই অতিরিক্ত তেজস্ক্রিয়তা মানবদেহে কি ধরনের প্রভাব রাখবে তা নিয়ে জীব-বিজ্ঞানীরা উদ্বিগ্ন। অতিরিক্ত এই বিকিরণ ক্যান্সার নামক মরণ ব্যাধিকে মহামারী আকারে ছড়িয়ে দিতে পারে বলে রয়েল সোসাইটির কয়েকজন জীববিজ্ঞানী আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এই সৌরঝড় কখন সংগঠিত হয়, এবং এর প্রতিকার কি, এ ব্যাপারে বিপুল গবেষনা সত্ত্বেও বিজ্ঞানীরা এখনও নিশ্চিত হতে পারেন নি। সৌরঝড়ের পূর্বাভাস করার মত তথ্য পাওয়ার জন্য যতটা নিখুঁত পর্যবেক্ষণ দরকার ততটা নিখুঁত পর্যবেক্ষণ বিজ্ঞানীরা করতে পারছেন না।
সম্প্রতি, সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষনের সুবিধার্থে নাসা দুটি ক্ৃিত্রম উপগ্রহ ব্যবহার করে সৌরঝড় সম্পর্কে নতুন তথ্যাবলী সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। এই কৃত্রিম উপগ্রহগুলোকে বলা হয় “স্টেরিও”।
“সোলার স্টর্মওয়াচ” ওয়েবসাইটটি ব্যবহারের মাধ্যমে এই তথ্য সংগ্রহের ব্যাপারে সাহায্য করতে পারেন আপনিও। এই ওয়েবসাইটটি গ্রীনিচ মানমন্দির, রাদারফোর্ড এ্যাপলটন ল্যাবরেটরী এবং সিটিজেন সাইন্স সাইট জিওনিভার্স, এই তিন প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রয়াসের ফসল।
উপযুক্ত যন্ত্রপাতি ও টেলিস্কোপ দ্বারা সূর্যে ঘটমান প্রতিটি ঘটনা আপনি দেখতে পারবেন ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে। ওয়েবসাইটটিতে আপনি পাবেন নাসার ব্যবহৃত “স্টেরিও” নামের কৃত্রিম উপগ্রহগুলোর পাঠানো সূর্যের সরাসরি ত্রিমাত্রিক প্রতিচ্ছবি সহ আরও অনেক তথ্যাবলী। যদি কোনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর কাছে স্টর্মওয়াচ ওয়েবসাইটটি ব্যবহারের মাধ্যমে সৌরঝড় শুরু হওয়ার কোন সম্ভাবনা পরিলক্ষিত হয়, তবে তিনি স্টর্মওয়াচ ওয়েবসাইটটির মাধ্যমেই ব্যপারটি বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিগোচর করতে পারবেন।
গ্রীনিচ মানমন্দিরের পক্ষ থেকে এ ধরনের পর্যবেক্ষন প্রক্রিয়ার উদ্যোগ এই প্রথম।
স্টর্মওয়াচ ওয়েবসাইটটি যাতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কোন সময় নষ্ট না করে এই জন্য এতে কোন বিনোদনমূলক অংশ রাখা হয়নি। সুতরাং আপনি যদি এ সাইটটি ব্যবহার করেন, তবে তা করবেন পৃথিবী নামের এই প্রায় গোলাকার পিন্ডটির জন্য নিখাদ ভালোবাসা থেকে।
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
সুবীর কাস্মীর পেরেরা ২৭/০৯/২০১৩আলোক ভাই জ্ঞান-গভ লেখা
-
সহিদুল হক ২৬/০৯/২০১৩আপনার নামের মতোই লেখাটিও আমাদের আলোকিত করলো।
-
Înšigniã Āvî ২৬/০৯/২০১৩অসাধারণ.........
চেষ্টা করব,
সকলের করা উচিত কারণ পৃথিবী সবার,
লিঙ্কটা দিলে আরও সুবিধে হতো । -
ইব্রাহীম রাসেল ২৬/০৯/২০১৩--দারুণ লিখেছেন। ---